Home / আন্তর্জাতিক / ‘সম্পূর্ণ ভুল তথ্য দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’

‘সম্পূর্ণ ভুল তথ্য দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’

ম’হামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সুইডে’নসহ ইউরো’পীয় দেশগুলো ঝুঁ’কিতে রয়েছে-বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এমন সতর্ক’তার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান ক’রেছেন সুইডিশ মহামারী বিশেষজ্ঞ অ্যা’ন্ড্রাস টগনেল। এর আগে বৃহস্পতিবার( ২৫ জুন) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছিল বেশ কয়েকটি দেশ ও অঞ্চ’লে করো’না সং’ক্রমণের ঝুঁ’কি বাড়ছে।

এর মধ্যে জাতি’সংঘভু’ক্ত ইউরো’পীয় ইউ’নিয়নের ১১ টি দেশ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ড. টেগনল সুইডিশ টিভিকে বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ ভুল। সুই’ডেনে করোনা বৃদ্ধি পা’চ্ছিল, এর কারণ টেস্ট বৃ’দ্ধি করা হ’য়েছিল।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে, ইইউ সদ’স্যভু’ক্ত দেশ সুইডেনে গত ১৪ দিনে লাখে ১৫৫ জন শনা’ক্ত দেখা যাচ্ছে।

যা আমেরিকা ছাড়া ইউ’রোপ অঞ্চলে’র অন্য দেশগুলোর চেয়ে বেশি।বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আঞ্চলিক পরিচালক হ্যানস হ্যা’রি ক্লুজ বলেন, সুইডেনসহ ১১টি দেশে পুনরায় সংক্রমণ বাড়ছে।সু’ইডেন ছাড়া এই অঞ্চ’লের অন্য দেশ’গুলো হল- মলদোভা, উত্তর ম্যাকডোনিয়া, আলবেনিয়া, বসনিয়া-হার’জেগোভিনা, ইউক্রেন, কসভো, আর্মেনিয়া, আ’জারভা’ইজান এবং মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্র কাজা’খাস্তান ও কিজগিস্তান।

ক’রোনা মহা’মা’রীতে সুইডে’ন ইউরোপীয় অন্য’দে’শগুলোর চেয়ে ভিন্নভাবে নি’জেদের উপস্থাপন করেছে। দেশটিতে কোনো লক’ডাউন দেয়া হয়নি। সেখানে স্কুল এবং ক্যা’ফেগু’লো খোলা রয়েছে, তবে গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ সুই’ডেন নাগরিক সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন।

আরোও পড়ুনঃ পবিত্র কাবা শরীফের তাওয়াফের ছবি তুলে আন্তর্জাতিক পুরস্কার
মক্কা নগরীর কাবা শরীফ সারা বিশ্বের মুসলমা’নদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় এবং পবিত্র একটি স্থান। হজের সময় ছাড়াও ওমরা করার সময় কাবা তাও’য়াফ বাধ্যতামূলক। বিশ্বনবী মোহাম্মদ (স.)এর স্মৃতি বি’জরিত এই স্থান হজ ওমরা ছাড়াও পরিদর্শনে যান বিশ্বের বিভিন্ন প্রা’ন্তের মুস’লমানরা।

মক্কার কাবার তাওয়াফ একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। কাবা শরীফে তাও’য়াফের দৃশ্য মুসলমানদের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের পরিচয় বহন করে। এদিকে কাবা তাওয়াফরত মানুষের ছবি তুলে আন্ত’র্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন সৌদি আরবের ফ্রিল্যা’ন্সার ফটো’গ্রাফার আবদুল্লাহ আল সাথরি।হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ইন্টার’ন্যাশনাল ফটো’গ্রাফি অ্যাও’য়ার্ডসের নবম আসরে মোবাইল ফটোগ্রাফি ক্যাটাগরিতে তৃতীয় পুরস্কার পান সাথরি।

আল সাথরি পবিত্র কাবার তাওয়া’ফরত মুসল্লিদের ছবি তুলে এ পুরস্কার জিতেছেন। তিনি তার ছবির নাম দিয়েছেন ‘স্পিরিচুয়ালিটি অব কা’লারস’ বা রঙের আধ্যাত্মিকতা।দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিল্যান্সার ফটো’গ্রাফার হিসেবে কাজ করা আল সাথরি বলেন, তাওয়াফরত হজ পালনকারীরা যেন রঙের বর্ণালি সৃষ্টি করে’ছেন।এটাই ছবিতে স্পষ্ট হয়েছে।এই আসরে মোবাইল ফটোগ্রাফি ক্যাটা’গরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ভারতের অপ্রতীম পাল এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন ইন্দো’নেশিয়ার ফটো’গ্রাফার বুদি গুনাওয়ান।

এ বছর প্রতিযোগি’তার মূল বিষয় ছিল পানি। তবে প্রতিযোগী’দের জেনারেল, পোর্টফোলিও ও মোবাইল ফটোগ্রাফি এই তিনটি ক্যাটাগরিতেও ছবি জমা দেয়ার সুযোগ ছিল।এর আগে কাবা ঘ’রের না’মাজের অসাধারণ দৃশ্য ক্যামে’রায় ধারণ করে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছিলেন সৌদি আর’বের আলো’কচিত্র শিল্পী আ’ম্মার আল আমির।

About admin

Check Also

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ৯ বছরে সর্বোচ্চ

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। ম’হামারি করো’ভাইরাসে বিশ্ব অর্থনীতি যখন বি’পর্য’স্ত তখন নিরাপদ বিনি’য়োগ হিসেবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *