জমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে যে সব নারীর

0
34
views

যমজ শিশুদের নিয়ে আমাদের মধ্যে সব সময় এক ধরনের কৌ’তূহল কাজ করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে সম্প্র’তি যমজ শিশুর জন্মও বাড়ছে।সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান বলছে, যমজ স’ন্তান জন্মের হার আগের চেয়ে অ’নেকটাই বেড়ে গেছে। ১৯৮০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ৭৬ শতাংশ।

১৯৮০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্যভূ’মিষ্ঠ প্রতি ৫৩ শিশুর মধ্যে একজন যমজ হত। ২০০৯ সালের হিসেবে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি ৩০ জনে একজন।
সম্প্রতি যমজ সন্তা’নের মায়েদের উপর গবেষণা চালিয়েছে ‘জার্নাল অব রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন’।

তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে যমজ শিশু বেশি জন্ম নেয়ার কারণ, তাদের আচরণ এবং কাদের যমজ শিশু বেশি জন্ম হয় তা নিয়ে তথ্য দেয়া হযেছে।গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব নারীদের উচ্চতা বেশি তাদের যমজ সন্তা’নের জ’ন্ম দেয়ার সম্ভাবনা বেশি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, মায়ের উচ্চতার সঙ্গে যমজ সন্তান জন্মদানের সম্পর্ক রয়েছে। কারণ আমাদের শরীরের বেড়ে ওঠার জন্য কিছু বিশেষ বিষয় কাজ করে। যাকে বলা হয় গ্রোথ-ফ্যা’ক্টর। যা হচ্ছে ইনসুলিন নামের এক বিশেষ ধরণের প্রোটিন। এই ইনসুলিন বোন সেল বৃদ্ধিকে তরা’ন্বিত করে। একই সঙ্গে মেয়েদের লম্বা হবার প্রবণতা ও যমজ সন্তা’ন জ’ন্ম’দানের বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

আরোও পড়ুনঃ পেটে গ্যাস জমেছে? জেনে নিন দূর করার উপায়
পেটে গ্যাস জমেছে – পেটে গ্যাস জমে থাকা খুবই কমন একটি সম’স্যা। খাওয়া-দাওয়ায় একটু অনিয়’ম হলেই এটি দেখা দিতে পারে। এমনকি একটু ভাজাভুজি খেলেও পেটে জমতে পারে গ্যাসের খনি। কিন্তু কতক্ষণ আর সতর্ক থাকা যায়! কোনো না কোনো ছুঁ’তোয় গ্যা’স ঠিকই পেটে এসে জমে। জেনে নিন এমন অবস্থায় সমাধা’নের উপায়-দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।পেঁ’পেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হ’জমশ’ক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সম’স্যা’ কমে।কলা ও ক’মলা পা’কস্থলির অতিরিক্ত সোডি’য়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এছাড়াও কলার সলুবল ফাই’বারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরি’ষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।পেট ঠান্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্য’করী খাদ্য হলো শসা। এতে রয়েছে ফ্লে’ভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমে’টরি উপাদান যা পেটে গ্যা’সের উদ্রেক কমায়।আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যা’সের সমস্যা সমাধান হবে।

পাকস্থলির গ্যা’স্ট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসি’ডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠান্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।হজ’মের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পা’নিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়া দিয়ে ফুটি’য়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চু’ষলে একদি’কে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূ’র হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। লব’ঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়া খেলে গ্যাস্ট্রিক দূরে থাকে।এক’কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমি’ভাব দূরে রাখ’তে এর বিকল্প নেই। আবার মৌরি ভি’জিয়ে সেই পানি খেলেও গ্যাস থাকে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here